ইউক্রেনের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে কিয়েভের প্রায় ১ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
শনিবার (৬ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনারগো।
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী সামি অঞ্চলের ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার পর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হামলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ছাড়া আর কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
রাশিয়া বেশ কিছুদিন থেকেই ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে আসছে। এতে প্রায়ই বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকতে হয় এখানকার মানুষকে।
গত তিন মাসে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেন ৯ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়েছে।
পোল্যান্ড তাদের উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ইউক্রেনে সরবরাহ করার মাধ্যমে ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু ইউক্রেনারগো জানিয়েছে, দেশীয় উৎপাদন এবং আমদানি করে তাদের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণ হচ্ছে না।
ইউক্রেনারগো কর্মকর্তা মারিয়া সাতুরিয়ান বিবিসিকে জানান, প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারায় তারা অত্যন্ত দুঃখিত। কিন্তু তাদের কোন উপায় নেই।
তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মধ্যে আছি। রাশিয়ার সন্ত্রাসীরা ইউক্রেনের জ্বালানি খাত ধ্বংস করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। স্বাধীনতার জন্য আমাদের এই মূল্য দিতে হচ্ছে।’
এদিকে, ইউক্রেনীয় বিমান প্রতিরক্ষা ৫ ও ৬ জুলাই রাতে রাশিয়ার উৎক্ষেপণ করা ২৭ টি ড্রোনের মধ্যে ২৪ টি ভূপাতিত করেছে বলে এয়ার ফোর্স কমান্ড টেলিগ্রামে রিপোর্ট করেছে।