29 C
Dhaka
Thursday, June 20, 2024

বজ্রপাতে দেশে ৩৮ দিনে ৭৪ জনের মৃত্যু

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ) জানিয়েছে, গত ৩৮ দিনে বজ্রপাতে ৩৫ জন কৃষকসহ অন্তত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে বজ্রপাতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নারী ১১ জন এবং পুরুষ ২০ জন। চলতি মাসের ১ থেকে ৮ মে পর্যন্ত বজ্রপাতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন নারী এবং ৩৪ জন পুরুষ।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) প্রকাশিত এসএসটিএফের গবেষণা সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে একদিনে বজ্রপাতে ১১ জন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছে। বজ্রপাতের ক্ষেত্রে কৃষকরা কীভাবে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন- সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।

আরো পড়ুন  শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন উপলক্ষে ফুল দিয়ে গণকবরে শ্রদ্ধা জানান নগরকান্দা উপজেলা প্রশাসন

সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, মানিকগঞ্জের সিংগাইর, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেছেন সংগঠনটির সদস্যরা। এ সময় ৫০০ জন করে কৃষক নিয়ে দল তৈরি করে বজ্রপাত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

এসএসটিএফের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বজ্রপাতের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।

এ ছাড়াও মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চার মাস বজ্রপাত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

আরো পড়ুন  সরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিসসূচি পরিবর্তন

সংগঠনটি কিছু পরামর্শও দিয়েছে কৃষকদের জন্য। সেগুলো হলো-

• মাঠে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ দেখে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া।

• বৃষ্টির সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া থেকে বিরত থাকা।

• খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় জুতা পরতে হবে।

• বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করার সময় শুয়ে পড়ুন।

ফোরামের সভাপতি ড. কবিরুল বাশার জানান, বজ্রপাত বাড়ার পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গাছ কাটা, বিশেষ করে মাঠের উঁচু গাছ কাটা।

আরো পড়ুন  শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে বুদ্ধের শিক্ষা অনুসরণ করা প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেন, গাছপালা না থাকলে খোলা স্থানে বা মাঠে মানুষের ওপর আঘাত হানে বজ্রপাত। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়াই ভালো। কিন্তু এটা ঠিক না। ঘরবাড়ি বা স্থাপনায় আশ্রয় নিতে হবে মানুষকে।

সরকারকে হাওর অঞ্চলে এবং উন্মুক্ত এলাকায় বজ্রনিরোধ যন্ত্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ